All products
Stationery (স্কুল ও মাদ্রাসার স্টেশনারী সামগ্রী)
Gadget (গ্যাজেট)
বই (Book)


হুজুর কায়েনাত ﷺ এর পবিত্র সুউচ্চ সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে যতই জানবেন ততই কম হবে কেননা এই সুউচ্চ সুমহান মর্যাদার সীমা কতটুকু তা কেবলমাত্র মহান রাব্বুল আলামীনেই জানেন।তাই আপনি যদি এই বিশাল সমুদ্রের সুধা হতে সামান্য থেকে সামান্যতম কিছু পান করে নিজের তৃষ্ণা আরো বাড়াতে চান তাহলে এই “শানে হাবিবুর রহমান ﷺ” বইটি পড়তে পারেন।
বই সম্পর্কে:
বইটিতে লেখক পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১০৩ খানা আয়াতে মোবারকার আলোকে হুজুর শাফিউল মুজনীবিন ﷺ এর সুউচ্চ, সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
বস্তুত পবিত্র কালামে ইলাহী কুরআনে পাক তো সম্পূর্ণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রশংসায়। লেখক তা থেকে কেবলমাত্র ১০৪ খানা আয়াতে পাকের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে বইটি সাজিয়েছেন।
লেখক প্রতিটি আয়াতে কারিমার আলোকে তার তাফসির, ফিকহি হুকুম বর্ণনা, কালাম শাস্ত্রের আলোচনা,আকিদা,হাদিসে পাকের মাধ্যমে, ইমামদের কাওলের মাধ্যমে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন। এবং প্রতিটি আয়াতের আলোকে হুজুর রহমতুল লীল আলামীন ﷺ এর সুউচ্চ শান,মান,মর্যাদা,তাজিম, সম্মান,আজমত,খুসুসীয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এনেছেন।
এবং পাশাপাশি লেখক এই সুমহান মর্যাদর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিরোধী, বিদ্বেষী বদবখত দের করা নানা ভ্রান্ত মতবাদ, মিথ্যাচারকে খন্ডন করে কঠোর জবাব দিয়েছেন।
সারমর্ম বলতে গেলে বলবো, আপনি যদি পবিত্র কুরআন পাকের তাফসিরের এক সুমিষ্ট সাগরে ডুব দিতে চান, পবিত্র কুরআন পাকের আলোকে হুজুর পাক ﷺ এর পবিত্র শান মান মর্যাদা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই বইটি পড়তে পারেন।
বইটি বিশেষ করে যে সমস্ত ছাত্র ভাইয়েরা তাফসির শাস্ত্র নিয়ে পড়ালেখাই আছেন তাদের জন্য বেশি উপকারী হবে বলে আশা করি আমি।
লেখক সম্পর্কে:
হাকিমুল উম্মত খ্যাত মুফতি আহমদ ইয়ার খান নঈমী, বেরলভী,হানাফী,কাদেরী,বাদয়ূনী (রহ.)। ভারতের বিখ্যাত বাদায়ূন শহরে ১৩১২ হিজরিতে বিখ্যাত আলেমেদ্বীন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন বিখ্যাত মুফাসসির,মুফতি,আইনজীবী ও সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম নেতা ছিলেন।
তাঁর উর্দু ভাষায় তাফসির শাস্ত্রের উপর লেখা তাফসিরে নাঈমী এবং নূরুল ইরফান ভারতবর্ষে অত্যন্ত বিখ্যাত। একই ভাবে তাঁর লেখা হানাফী ফিকহের ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে নাঈমিয়া ও অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কিতাব।
তিনি ইমামে আহলে সুন্নাত ইমাম বেরলভী রহ এবং সদরুল আফাজীল সৈয়দ মুহাম্মদ নৈয়মুদ্দীন মুরাদাবাদী রহ এর অন্যতম শিষ্য ছিলেন।তিনি তরিকায় কাদেরীয়া, ফিকহে বেরলভী হানাফী, কালামে বেরলভী মাতুরিদি,আকীদায় সুন্নিয়তের অনুসারী ছিলেন।
১৩৯১ হিজরীর পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় তারিখ ১৯৭২ ঈসায়ীর ২৪শে অক্টোবর দ্বীন ইসলামের এই মহা নক্ষত্র এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় হাবিব ﷺ এর উসিলায় এই মহা নক্ষত্রকে জান্নাতের উচ্চ মকাম দান করুক।
অনুবাদক সম্পর্কে:
অনুবাদক চট্রগ্রামের বিখ্যাত আলিয়া মাদ্রাসা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জুবায়ের। তিনি ১৯৬০ ঈসায়ী সনে লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করেছেন অতঃপর ২০১২ সালে অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এবং ২০২০ পর্যন্ত উক্ত দায়িত্ব আনজাম দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দ্বীন ইসলামের নানা খেদমত আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন তাকে ভুলভ্রান্তি থেকে হেফাজত রেখে দ্বীনের খেদমত করে যেতে পারেন।
হুজুর কায়েনাত ﷺ এর পবিত্র সুউচ্চ সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে যতই জানবেন ততই কম হবে কেননা এই সুউচ্চ সুমহান মর্যাদার সীমা কতটুকু তা কেবলমাত্র মহান রাব্বুল আলামীনেই জানেন।তাই আপনি যদি এই বিশাল সমুদ্রের সুধা হতে সামান্য থেকে সামান্যতম কিছু পান করে নিজের তৃষ্ণা আরো বাড়াতে চান তাহলে এই “শানে হাবিবুর রহমান ﷺ” বইটি পড়তে পারেন।
বই সম্পর্কে:
বইটিতে লেখক পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১০৩ খানা আয়াতে মোবারকার আলোকে হুজুর শাফিউল মুজনীবিন ﷺ এর সুউচ্চ, সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
বস্তুত পবিত্র কালামে ইলাহী কুরআনে পাক তো সম্পূর্ণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রশংসায়। লেখক তা থেকে কেবলমাত্র ১০৪ খানা আয়াতে পাকের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে বইটি সাজিয়েছেন।
লেখক প্রতিটি আয়াতে কারিমার আলোকে তার তাফসির, ফিকহি হুকুম বর্ণনা, কালাম শাস্ত্রের আলোচনা,আকিদা,হাদিসে পাকের মাধ্যমে, ইমামদের কাওলের মাধ্যমে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন। এবং প্রতিটি আয়াতের আলোকে হুজুর রহমতুল লীল আলামীন ﷺ এর সুউচ্চ শান,মান,মর্যাদা,তাজিম, সম্মান,আজমত,খুসুসীয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এনেছেন।
এবং পাশাপাশি লেখক এই সুমহান মর্যাদর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিরোধী, বিদ্বেষী বদবখত দের করা নানা ভ্রান্ত মতবাদ, মিথ্যাচারকে খন্ডন করে কঠোর জবাব দিয়েছেন।
সারমর্ম বলতে গেলে বলবো, আপনি যদি পবিত্র কুরআন পাকের তাফসিরের এক সুমিষ্ট সাগরে ডুব দিতে চান, পবিত্র কুরআন পাকের আলোকে হুজুর পাক ﷺ এর পবিত্র শান মান মর্যাদা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই বইটি পড়তে পারেন।
বইটি বিশেষ করে যে সমস্ত ছাত্র ভাইয়েরা তাফসির শাস্ত্র নিয়ে পড়ালেখাই আছেন তাদের জন্য বেশি উপকারী হবে বলে আশা করি আমি।
লেখক সম্পর্কে:
হাকিমুল উম্মত খ্যাত মুফতি আহমদ ইয়ার খান নঈমী, বেরলভী,হানাফী,কাদেরী,বাদয়ূনী (রহ.)। ভারতের বিখ্যাত বাদায়ূন শহরে ১৩১২ হিজরিতে বিখ্যাত আলেমেদ্বীন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন বিখ্যাত মুফাসসির,মুফতি,আইনজীবী ও সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম নেতা ছিলেন।
তাঁর উর্দু ভাষায় তাফসির শাস্ত্রের উপর লেখা তাফসিরে নাঈমী এবং নূরুল ইরফান ভারতবর্ষে অত্যন্ত বিখ্যাত। একই ভাবে তাঁর লেখা হানাফী ফিকহের ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে নাঈমিয়া ও অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কিতাব।
তিনি ইমামে আহলে সুন্নাত ইমাম বেরলভী রহ এবং সদরুল আফাজীল সৈয়দ মুহাম্মদ নৈয়মুদ্দীন মুরাদাবাদী রহ এর অন্যতম শিষ্য ছিলেন।তিনি তরিকায় কাদেরীয়া, ফিকহে বেরলভী হানাফী, কালামে বেরলভী মাতুরিদি,আকীদায় সুন্নিয়তের অনুসারী ছিলেন।
১৩৯১ হিজরীর পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় তারিখ ১৯৭২ ঈসায়ীর ২৪শে অক্টোবর দ্বীন ইসলামের এই মহা নক্ষত্র এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় হাবিব ﷺ এর উসিলায় এই মহা নক্ষত্রকে জান্নাতের উচ্চ মকাম দান করুক।
অনুবাদক সম্পর্কে:
অনুবাদক চট্রগ্রামের বিখ্যাত আলিয়া মাদ্রাসা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জুবায়ের। তিনি ১৯৬০ ঈসায়ী সনে লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করেছেন অতঃপর ২০১২ সালে অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এবং ২০২০ পর্যন্ত উক্ত দায়িত্ব আনজাম দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দ্বীন ইসলামের নানা খেদমত আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন তাকে ভুলভ্রান্তি থেকে হেফাজত রেখে দ্বীনের খেদমত করে যেতে পারেন।
All products
Stationery (স্কুল ও মাদ্রাসার স্টেশনারী সামগ্রী)
Gadget (গ্যাজেট)
বই (Book)


হুজুর কায়েনাত ﷺ এর পবিত্র সুউচ্চ সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে যতই জানবেন ততই কম হবে কেননা এই সুউচ্চ সুমহান মর্যাদার সীমা কতটুকু তা কেবলমাত্র মহান রাব্বুল আলামীনেই জানেন।তাই আপনি যদি এই বিশাল সমুদ্রের সুধা হতে সামান্য থেকে সামান্যতম কিছু পান করে নিজের তৃষ্ণা আরো বাড়াতে চান তাহলে এই “শানে হাবিবুর রহমান ﷺ” বইটি পড়তে পারেন।
বই সম্পর্কে:
বইটিতে লেখক পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১০৩ খানা আয়াতে মোবারকার আলোকে হুজুর শাফিউল মুজনীবিন ﷺ এর সুউচ্চ, সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
বস্তুত পবিত্র কালামে ইলাহী কুরআনে পাক তো সম্পূর্ণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রশংসায়। লেখক তা থেকে কেবলমাত্র ১০৪ খানা আয়াতে পাকের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে বইটি সাজিয়েছেন।
লেখক প্রতিটি আয়াতে কারিমার আলোকে তার তাফসির, ফিকহি হুকুম বর্ণনা, কালাম শাস্ত্রের আলোচনা,আকিদা,হাদিসে পাকের মাধ্যমে, ইমামদের কাওলের মাধ্যমে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন। এবং প্রতিটি আয়াতের আলোকে হুজুর রহমতুল লীল আলামীন ﷺ এর সুউচ্চ শান,মান,মর্যাদা,তাজিম, সম্মান,আজমত,খুসুসীয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এনেছেন।
এবং পাশাপাশি লেখক এই সুমহান মর্যাদর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিরোধী, বিদ্বেষী বদবখত দের করা নানা ভ্রান্ত মতবাদ, মিথ্যাচারকে খন্ডন করে কঠোর জবাব দিয়েছেন।
সারমর্ম বলতে গেলে বলবো, আপনি যদি পবিত্র কুরআন পাকের তাফসিরের এক সুমিষ্ট সাগরে ডুব দিতে চান, পবিত্র কুরআন পাকের আলোকে হুজুর পাক ﷺ এর পবিত্র শান মান মর্যাদা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই বইটি পড়তে পারেন।
বইটি বিশেষ করে যে সমস্ত ছাত্র ভাইয়েরা তাফসির শাস্ত্র নিয়ে পড়ালেখাই আছেন তাদের জন্য বেশি উপকারী হবে বলে আশা করি আমি।
লেখক সম্পর্কে:
হাকিমুল উম্মত খ্যাত মুফতি আহমদ ইয়ার খান নঈমী, বেরলভী,হানাফী,কাদেরী,বাদয়ূনী (রহ.)। ভারতের বিখ্যাত বাদায়ূন শহরে ১৩১২ হিজরিতে বিখ্যাত আলেমেদ্বীন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন বিখ্যাত মুফাসসির,মুফতি,আইনজীবী ও সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম নেতা ছিলেন।
তাঁর উর্দু ভাষায় তাফসির শাস্ত্রের উপর লেখা তাফসিরে নাঈমী এবং নূরুল ইরফান ভারতবর্ষে অত্যন্ত বিখ্যাত। একই ভাবে তাঁর লেখা হানাফী ফিকহের ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে নাঈমিয়া ও অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কিতাব।
তিনি ইমামে আহলে সুন্নাত ইমাম বেরলভী রহ এবং সদরুল আফাজীল সৈয়দ মুহাম্মদ নৈয়মুদ্দীন মুরাদাবাদী রহ এর অন্যতম শিষ্য ছিলেন।তিনি তরিকায় কাদেরীয়া, ফিকহে বেরলভী হানাফী, কালামে বেরলভী মাতুরিদি,আকীদায় সুন্নিয়তের অনুসারী ছিলেন।
১৩৯১ হিজরীর পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় তারিখ ১৯৭২ ঈসায়ীর ২৪শে অক্টোবর দ্বীন ইসলামের এই মহা নক্ষত্র এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় হাবিব ﷺ এর উসিলায় এই মহা নক্ষত্রকে জান্নাতের উচ্চ মকাম দান করুক।
অনুবাদক সম্পর্কে:
অনুবাদক চট্রগ্রামের বিখ্যাত আলিয়া মাদ্রাসা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জুবায়ের। তিনি ১৯৬০ ঈসায়ী সনে লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করেছেন অতঃপর ২০১২ সালে অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এবং ২০২০ পর্যন্ত উক্ত দায়িত্ব আনজাম দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দ্বীন ইসলামের নানা খেদমত আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন তাকে ভুলভ্রান্তি থেকে হেফাজত রেখে দ্বীনের খেদমত করে যেতে পারেন।
হুজুর কায়েনাত ﷺ এর পবিত্র সুউচ্চ সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে যতই জানবেন ততই কম হবে কেননা এই সুউচ্চ সুমহান মর্যাদার সীমা কতটুকু তা কেবলমাত্র মহান রাব্বুল আলামীনেই জানেন।তাই আপনি যদি এই বিশাল সমুদ্রের সুধা হতে সামান্য থেকে সামান্যতম কিছু পান করে নিজের তৃষ্ণা আরো বাড়াতে চান তাহলে এই “শানে হাবিবুর রহমান ﷺ” বইটি পড়তে পারেন।
বই সম্পর্কে:
বইটিতে লেখক পবিত্র কুরআনুল কারীমের ১০৩ খানা আয়াতে মোবারকার আলোকে হুজুর শাফিউল মুজনীবিন ﷺ এর সুউচ্চ, সুমহান মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
বস্তুত পবিত্র কালামে ইলাহী কুরআনে পাক তো সম্পূর্ণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রশংসায়। লেখক তা থেকে কেবলমাত্র ১০৪ খানা আয়াতে পাকের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে বইটি সাজিয়েছেন।
লেখক প্রতিটি আয়াতে কারিমার আলোকে তার তাফসির, ফিকহি হুকুম বর্ণনা, কালাম শাস্ত্রের আলোচনা,আকিদা,হাদিসে পাকের মাধ্যমে, ইমামদের কাওলের মাধ্যমে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন। এবং প্রতিটি আয়াতের আলোকে হুজুর রহমতুল লীল আলামীন ﷺ এর সুউচ্চ শান,মান,মর্যাদা,তাজিম, সম্মান,আজমত,খুসুসীয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এনেছেন।
এবং পাশাপাশি লেখক এই সুমহান মর্যাদর বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিরোধী, বিদ্বেষী বদবখত দের করা নানা ভ্রান্ত মতবাদ, মিথ্যাচারকে খন্ডন করে কঠোর জবাব দিয়েছেন।
সারমর্ম বলতে গেলে বলবো, আপনি যদি পবিত্র কুরআন পাকের তাফসিরের এক সুমিষ্ট সাগরে ডুব দিতে চান, পবিত্র কুরআন পাকের আলোকে হুজুর পাক ﷺ এর পবিত্র শান মান মর্যাদা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই বইটি পড়তে পারেন।
বইটি বিশেষ করে যে সমস্ত ছাত্র ভাইয়েরা তাফসির শাস্ত্র নিয়ে পড়ালেখাই আছেন তাদের জন্য বেশি উপকারী হবে বলে আশা করি আমি।
লেখক সম্পর্কে:
হাকিমুল উম্মত খ্যাত মুফতি আহমদ ইয়ার খান নঈমী, বেরলভী,হানাফী,কাদেরী,বাদয়ূনী (রহ.)। ভারতের বিখ্যাত বাদায়ূন শহরে ১৩১২ হিজরিতে বিখ্যাত আলেমেদ্বীন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন বিখ্যাত মুফাসসির,মুফতি,আইনজীবী ও সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় তিনি অন্যতম নেতা ছিলেন।
তাঁর উর্দু ভাষায় তাফসির শাস্ত্রের উপর লেখা তাফসিরে নাঈমী এবং নূরুল ইরফান ভারতবর্ষে অত্যন্ত বিখ্যাত। একই ভাবে তাঁর লেখা হানাফী ফিকহের ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে নাঈমিয়া ও অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কিতাব।
তিনি ইমামে আহলে সুন্নাত ইমাম বেরলভী রহ এবং সদরুল আফাজীল সৈয়দ মুহাম্মদ নৈয়মুদ্দীন মুরাদাবাদী রহ এর অন্যতম শিষ্য ছিলেন।তিনি তরিকায় কাদেরীয়া, ফিকহে বেরলভী হানাফী, কালামে বেরলভী মাতুরিদি,আকীদায় সুন্নিয়তের অনুসারী ছিলেন।
১৩৯১ হিজরীর পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় তারিখ ১৯৭২ ঈসায়ীর ২৪শে অক্টোবর দ্বীন ইসলামের এই মহা নক্ষত্র এই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় হাবিব ﷺ এর উসিলায় এই মহা নক্ষত্রকে জান্নাতের উচ্চ মকাম দান করুক।
অনুবাদক সম্পর্কে:
অনুবাদক চট্রগ্রামের বিখ্যাত আলিয়া মাদ্রাসা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জুবায়ের। তিনি ১৯৬০ ঈসায়ী সনে লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে নেছারিয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করেছেন অতঃপর ২০১২ সালে অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এবং ২০২০ পর্যন্ত উক্ত দায়িত্ব আনজাম দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দ্বীন ইসলামের নানা খেদমত আনজাম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন তাকে ভুলভ্রান্তি থেকে হেফাজত রেখে দ্বীনের খেদমত করে যেতে পারেন।